সারাদেশ

শ্যামনগরের অবৈধ ভাবে পাচার হওয়ার সময় বিএডিসির সার জব্দ

  বিশেষ প্রতিনিধি 28 July 2026 , 3:14:23 প্রিন্ট সংস্করণ

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার কৈখালী ইউনিয়নে অবৈধ ভাবে পাচার হওয়ার সময় বিএডিসির ৫৭ বস্তা সার জব্দ হয়েছে। ২৮ শে জুলাই ( মঙ্গলবার) , সকাল ১০ টায় কৈখালী ইউনিয়নের জয়াখালী চেয়ারম্যান বাড়ী মোড়ে চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিমের নেতৃত্বে উক্ত সার জব্দ করা হয়। জানা যায় , বিএডিসির সার মূলত নিবন্ধিত সার ডিলার ও কৃষকেরা পেয়ে থাকেন। সরকারের সমন্বিত নীতিমালা অনুযায়ী লাইসেন্স প্রাপ্ত ডিলাররা বিএডিসি থেকে সরকারি মূল্যে ও কোটায় সার তুলে মাঠ পর্যায়ে প্রান্তিক কৃষকদের কাছে বিক্রি করেন। কিন্তু সকল নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে কৈখালী ইউনিয়নের বোশখালী গ্রামের আদর আলীর পুত্র, আরিক এন্টার প্রাইজের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আমিনুর রহমান শাপলা এন্টার প্রাইজ নামীয় একটি লাইসেন্স ইস্যু করে বিএডিসির সার উত্তোলন করেন। শাপলা এন্টার প্রাইজের লাইসেন্সের মালিক সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুন।

 

এ বিষয়ে কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন , আমিনুর রহমানের বিএডিসির সার ডিলার লাইসেন্স না থাকার পরেও সাতক্ষীরার রোজিনা খাতুনের নামীয় শাপলা এন্টার প্রাইজের লাইসেন্স ব্যববার করে সার উত্তোলন করে কৈখালী ইউনিয়নের প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ন্যায্য মূল্যে বিক্রয় না করে কৌশল করে উচ্চ দামে অন্য ইউনিয়নে বিক্রয় করে আসছে। আমার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে শাপলা এন্টার প্রাইজের ট্রেড লাইসেন্স নাই বা ইউনিয়নে সারের কোন গুডাউন নাই। সম্পুর্ন্ন অনিয়মের মাধ্যমে বহু বছর ধরে একই নামে বিএডিসির লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়ে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। ষিয়টি নিয়ে আমি বহুবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে অভিযোগ করলেও সমাধান হয়নি। অবশেষে আজ সকালে অন্য ইউনিয়নে সার পাচার করার সময় আমি জব্দ করি।

 

প্রান্তিন কৃষক জয়াখালী গ্রামের মোহাম্মাদ আলীর পুত্র হাফিজুর রহমান বলেন , আমরা বিএডিসির ডিলালের কাছে গিয়ে সার ক্রয় করতে পারি না। সার নিলে বিষ নিতে হবে এমন শর্ত বেধে দেন ডিলার। এ কারনে বাইরে থেকে বেশি দামে সার ক্রয় করতে হয়।

 

এ বিষয়ে আমিনুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করার জন্য তার মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

 

শ্যামনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওয়ালিউর ইসলাম বলেন এবিষয়ে আমি কিছু জানি না,তবে ইউ এনও মহোদয়ের সাথে পরামর্শ করে ব্যবস্থা নেব।

 

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দিবাশীষ দাস বলেন , বিষয়টি চেয়ারম্যান জানানোর পরে স্যারকে অবগত করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আইনি পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।

 

এ বিষয়ে শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক বলেন ,  বিষয়টি জানার পরে কৃষি অফিসারকে অবগত করা হয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content