সাতক্ষীরা’র শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নে দীর্ঘদিনের ভোগ দখলীয় সম্পত্তিতে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে।
এঘটনায় আবাদচন্ডীপুর গ্রামের মুজিবর রহমা মোল্যার স্ত্রী মোছাঃ ফরিদা বেগম বাদী হয়ে চার জনকে আসামি করে শ্যামনগর থানায় এজাহার দায়ের করেছে।
আসামিরা হলেন, ইশ্বরীপুর ইউনিয়নে খাগড়াঘাট গ্রামের আজিজ গাইনের ছেলে আলমগীর গাইন,আলমগীর গাইনের ছেলে ফরিদ গাইন, আলমগীর গাইনের স্ত্রী মোঃ নেদা বেগম,রুপ গাজীর ছেলে ছলেমান গাজী সহ ৪/৫ জন।
এজহার সূত্রে জানাজায়,সকল আসামীগন সমস্বার্থযুক্ত দারুন দুর্দান্ত, গুন্ডা, লাঠিয়াল,পরসম্পদলোভী সন্তাসী,জবদখলকারী ব্যক্তি। বাদীর স্বামী ঢাকায় চাকুরী করে,পুত্রগন বাহিরে কাজ করে। বাদীর বসত ভিটায় কিছু রেকর্ডীয় ও কিছু খাস জমি লইয়া আমরা বসতবাড়ী ও গাছ গাছালি, পুকুর সহ ১৮ শতক জায়গার উপর ঘেরাবেড়া দিয়া দীর্ঘ বৎসর যাবত শান্তিপূর্ণ ভোগ দখলে আছি। গত ১০ এপ্রিল সকালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সকল আসামীগন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ঘরের মাছ ধরার আমার স্বামী সন্তান বাড়িতে না থাকার সুযোগে আমার ভিটাবাড়িতে অন্যায় ভাবে প্রবেশ করে জোরপূর্বক খেজুর গাছ, পেয়রা গাছ ও পুকুর থেকে গলদা ও ছাটি ও বিভিন্ন ধরনের সাদা মাছ যাহার মূল্য আনুমানিক ১.৫০,০০০ নষ্ট করে আত্মসাৎ করে। বাদী বাধা প্রদান করিতে গেলে সকল আসামীগন বাদীর শরীরের বিভিন, স্থানে চড়, কিল, ঘুষি মারিয়া বেদন দায়ক ফুলা জখম করে। এক পর্যায়ে সকল আসামীগন বাদীর পরিহিত শাড়ি, ব্লাউজ বে-আক্রু করতঃ শ্লীলতাহানি ঘটায়। তখন বাদীর ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে ঘটনাস্থল থেকে আসামিগন চলে যায় জাওয়ার সময় হুকমী ও আষফালন করে বলে যে, এ বিষয়ে কোনরুপ মামলা মোকদ্দমা করিলে খুনজখম করিবে, আমাদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়া হয়রানী করিবে, উক্ত স্থানে বসবাস করিতে দিবে না বলে অপরাধ জনক ভীতি প্রদর্শন করে।বাদী মোবাইল যোগে তার স্বামী ও সন্তানদের ঘটণা জানালে এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি বর্গের কাছে পরামর্শ করিতে এবং স্থাণীয় ভাবে চিকৎসা গ্রহন করিতে এজাহার দায়েরে বিলম্বের হয়েছে।
এবিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ খালেদুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।