জালানি তেলের কৃত্রিম সংকট দূর করতে এবং অসাধু সিন্ডিকেট ভাঙতে পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল) তিনি উপজেলার দুই টি পেট্রোল পাম্প পরিদর্শন করেন।
অভিযোগ রয়েছে, এলাকা পেট্রোল পাম্পে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেল বিক্রি বন্ধ বা সীমিত করে রাখা হয়েছিল। জনদুর্ভোগের এই খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় উপজেলা নিবার্হী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক। আশা পেট্রোলিয়াম পরিদর্শন করেন। এরপর শ্যামনগর ফিলিং স্টেশনে পরিদর্শন করেন।
এর আগে গত বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে উপজেলার চারটি ফিলিং স্টেশনের মালিক, বাংলাদেশ জামাত ইসলামি উপজেলা শাখা ও উপজেলা বিএনপি, সাংবাদিক, শিক্ষক প্রতিনিধি সহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দের উপস্থিতে সুষ্ঠ বন্টনের জন্য প্রত্যেকটি ইউনিয়নে এক এক দিন এক ইউনিয়নে বন্টনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সেটা সঠিক ভাবে নিয়ম মেনে বন্টন হচ্ছে কিনা পর্যবেক্ষণ করে। আশা পেট্রোলিয়াম পরিদর্শনের সময় সেখানে সাধারণ ক্রেতাদের তেল না দিয়ে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছিল এমন অভিযোগের ব্যাপারে খোঁজ খবর নেন। এ সময় তিনি পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের কঠোর নির্দেশনায় বলেন,“কোনোভাবেই সাধারণ ভোক্তাদের হয়রানি করা যাবে না। মজুত রাখা যাবেনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার শক্ত অবস্থানের পর মুহূর্তের মধ্যেই পাল্টে যায় দৃশ্যপট। কয়েকদিন ধরে তেল না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে থাকা মোটরসাইকেল চালক ও সাধারণ মানুষ অবশেষে সঠিক ভাবে তেল পেয়ে ব্যাপক স্বস্তি প্রকাশ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব ছামিউল আযম মনির, শ্যামনগর ফিলিং স্টেশন এর মালিক আমিনুর রহমান বকুল সহ বিভিন্ন পযার্য়ের নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন।