সাতক্ষীরা’র শ্যামনগরে ছেলে ও ছেলের বৌ এর হামলায় মা এবং বাব দুই জন আহত শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধিন। এ ঘটনায় আহত পিতা মোহাম্মাদ আলী গাজী, শ্যামনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করে। ঘটনাটি ঘটেছে শ্যামনগর উপজেলার নূরনগর ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে।
অভিযোগে আহত মোহাম্মাদ আলী গাজী বলেন, আমার ছেলে মোঃ রবিউল ইসলাম ছেলের বৌ মোছঃ মমতাজ খাতুন ও ইয়াছিন সহ ৩/৪ জনের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ তুলে বলেন সবাই পরসম্পদলোভী, জবর দখলকারী, দুর্দান্ত ও দুর্ধর্ষ, গুন্ডা, লাঠিয়াল এবং হিংস্র প্রকৃতির। ভিটা বাড়ীর সম্পত্তি নিয়ে আমার মেজো ছেলে শফিকুল ইসলাম এর সাথে মনোমালিন্য সহ বিরোধ চলমান। বিরোধের জের ধরে বড়ছেলে আমাদের উপর দারুনভাবে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনদের সাথে ভীষন শত্রুতা করে চলে এবং আমাকে সহ আমার পরিবারের লোকজনদেরকে ভিটা বাড়ী হতে বিতাড়িত করা সহ মারপিট করে জখম করা ও বিভিন্নভাবে হয়রানী সহ ক্ষতিসাধন করার জন্য বিভিন্নভাবে পায়তারা করে থাকে। ছেলে ও ছেলের বৌ জোর পূর্বক আমার মেজো ছেলের সম্পত্তি জবর দখলের চেষ্টা করায় আমার মেজো ছেলে বাধ্য হয়ে আদালতে ১৪৫ ধারায় একটি মামলা করে। বিরোধের জের ধরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার সময় আসামীরা বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করে দেশীয় অস্ত্র সঙ্গে সজ্জিত হয়ে বে-আইনী অনধিকার প্রবেশ করে আমার মেজো ছেলের ভিটা বাড়ীর সম্পত্তিতে প্রবেশ পূর্বক ভিটা বাড়ী জবর দখলের চেষ্টা করে। তখন আমি তাদের অন্যায় কাজে বাঁধা দেওয়ায় আমাকে লাঠি-সোঠা দিয়ে এলোপাতাড়ীভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা জখম করে।
তখন আমার স্ত্রী আফুজা বেগম ছুটে এসে আসামীদের কবল হতে আমাকে উদ্ধার করতে আসলে সকলে তাকেও এলোপাতাড়ীভাবে মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলা ফোলা জখম করে। উপস্থিত লোকজন আমাদের জখম অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য শ্যামনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অভিযোগ এর বিষয় থানায় যোগাযোগ করলে জানান, এখনো কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।