সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোছা. রনী খাতুনের বদলি আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলা সদরে সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
উপজেলা পরিষদ চত্বরে শুরু হওয়া মানববন্ধনটি স্লোগান ও উপস্থাপনায় মুখর হয়ে ওঠে। অংশগ্রহণকারীরা শ্লোগান দেন— “ইউএনও’র বদলি, মানি না মানবো না”, “আর কোনো দাবি নাই, রনী খাতুনকে বহাল চাই”, “শ্যামনগরের মানুষের দাবি মানতে হবে” প্রভৃতি।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, মাত্র ১০ মাসে ইউএনও মোছা. রনী খাতুন শ্যামনগরের মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন। কর্মদক্ষতা, সততা ও আন্তরিকতার মাধ্যমে তিনি সাধারণ মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তাঁকে বদলি করা হলে শ্যামনগরের উন্নয়ন ও জনস্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করেন তারা। বক্তারা তাঁর বদলি আদেশ প্রত্যাহার করে আরও কিছু সময় শ্যামনগরের মানুষের সেবায় রাখার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে যুব স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য হাফিজুর রহমান হাফিজের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন শ্যামনগর উপজেলা উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক অধ্যক্ষ বিধুশ্রবা মন্ডল, ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাদেকুর রহমান সাদেক, শ্যামনগর প্রেসক্লাবের সভাপতি সামিউল মনির, আটুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সালেহ বাবু, ভুরুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হোসেন আলী, রমজাননগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল হামিদ লাল্টু, রাশিদুল ইসলাম, নওয়াবেঁকী মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক আব্দুল ওহাব, মুন্সিগঞ্জ ইউনিয়নের সমাজসেবক আব্দুর রাজ্জাক, যুবনেতা রুস্তম আলী, আটুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের আহবায়ক আল আমিন ও ধুমঘাট জামিয়া ইসলামিয়া রাশিদিয়া হোসাইনাবাদ মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম প্রমুখ।
প্রসঙ্গত, গত ১০ সেপ্টেম্বর খুলনা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের মাঠ প্রশাসন শাখার সিনিয়র সহকারী কমিশনার সুমাইয়া সুলতানা স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে ইউএনও মোছা. রনী খাতুনকে যশোরের ঝিকরগাছায় বদলি করা হয়।