শিরোনাম ::
প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও জলবায়ু সহনশীলতা বিষয়ক সভা শ্যামনগরের কালিঞ্চীতে লবন পানি  উত্তোলন বন্ধের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সুন্দরবন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা  শ্যামনগরে জাল দলিল দিয়ে জোর পূর্বক জমি দখলের অভিযোগ শ্যামনগরে জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা ভেটখালী টু সাতক্ষীরা সড়কের রাস্তার কাজ শেষ না হতেই রাস্তার জায়গা দখলের অভিযোগ ভেটখালীতে অসহায় হতদরিদ্র ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ ছেলে ও ছেলের বৌ এর হামলার শিকার বাবা মা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  মৃত্যুর মুখে ‘আইবুড়ি’ নদী সংকটে সাতক্ষীরার ২০ হাজার বিঘা কৃষিজমি খুলনার রূপসায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে গাঁজাসহ ১ মাদক কারবারি আটক ইউএনও’র হস্তক্ষেপে রাস্তার মধ্যভাগ হতে অপসারিত বিদ্যুতের খুঁটি শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে সংবর্ধনা শ্যামনগরে এমপি গাজী নজরুল ইসলামের হাতে ঝাড়ু,পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন অভিযান শুরু সাধারণ মানুষের সাথে ইফতারি ও কুশল বিনিময় করেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম সুন্দরবনে অভিযান দুই ট্রলারসহ ৪শ কেজি শাপলা পাতা মাছ জব্দ  অস্ত্র ও গোলাবারুদ সহ সুন্দরবনের দুর্ধর্ষ ডাকাত করিম শরীফ বাহিনীর ১ সক্রিয় সদস্য আটক রোজাকে ঘিরে প্রশাসনের উদ্যোগে শ্যামনগরে বাজার মনিটরিং জামালপুরে বিনা সরিষা মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত শ্যামনগরে শান্তি ও সংহতি সার্কেলের সংবাদ সম্মেলন শ্যামনগরে প্রশাসন ম্যানেজ করে রাত দিন নিয়ন্ত্রণহীন ডাম্পার ও টলি চলাচলের অভিযোগ বনদস্যু জনাব ও ডন বাহিনী দাপটে আবারো অশান্ত সুন্দরবন আতঙ্কে বনজীবিরা  সুন্দরবন দিবস রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতির দাবিতে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান নির্বাচিত হলে শ্যামনগর মহসীন ডিগ্রী কলেজকে বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে জামালপুর-৩ মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের ভোট প্রার্থনা ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত  উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নিয়ে ৯ ফেব্রুয়ারি শ্যামনগরে বিএনপির নির্বাচনী জনসভা সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় উপকূলে কাজ করছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড কুমিল্লা শংকুচাইলে মাদক ব্যাবসায়ী হামলায় আহত বিএনপি নেতার মৃত্যু জামায়াতের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশের বন্দোবস্ত হবে ……. ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম কুমিল্লার ১১টি আসনের সিসি ক্যামেরার আওতায় ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ন্যায্য অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে সমাজ থেকে অপশক্তিকে প্রতিহত করতে হবে……গাজী নজরুল ইসলাম

জিয়াউর রহমান দেশে মার্শাল ডেমোক্রেসি  চালু করেছিল : ড. হাছান মাহমুদ  

মেহেদী হাসান মারুফ আলোচিত ডেক্স:
হালনাগাদ : শনিবার, ৮ এপ্রিল, ২০২৩

 

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান দেশে মার্শাল ডেমোক্রেসি চালু করেছিল।

 

তিনি বলেন, “বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সংসদের পথচলা বার বার হোঁচট খেয়েছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর সংসদ বাতিল করা হয়েছিল এবং সংসদীয় গণতন্ত্র বাতিল করে তখন সামরিকতন্ত্র চালু করা হয়েছিল।

 

পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান ১৯৭৯ সালে সংসদ নির্বাচনের পর প্রকৃতপক্ষে মার্শাল ডেমোক্রেসি চালু করেছিল। ওই নির্বাচনের পর যে ব্যক্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করেছিল, যে ব্যক্তি পাকিস্তান প্রতিনিধি দলের ডেপুটি লিডার হিসেবে জাতিসংঘে গিয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীতা করে বক্তব্য রেখেছে- ‘তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে কোন গণহত্যা হচ্ছে না, ভারতীয় চররা, ভারতের দোসররা কিছু গন্ডগোল করছে মাত্র’। এই ব্যক্তিকে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী বানানো হয়েছিল।”

জাতীয় সংসদের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে কার্যপ্রণালী বিধির ১৪৭ ধারায় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা ৭ এপ্রিল আনীত এক প্রস্তাবের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আজ এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে ১৯৮৮ সালে প্রধান দলগুলোবিহীন একটি নির্বাচন করে তখন আ স ম রব সাহেবকে গৃহপালিত বিরোধী দলীয় নেতা বানিয়ে সংসদকে হাস্যকর স্থানে পরিণত করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি বেগম খালেদা জিয়া ভোটাবিহীন নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচন করে বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনি কর্ণেল রশীদকে বিরোধী দলীয় নেতা বানিয়ে সংসদকে কলঙ্কিত করেছিল। এই সংসদে বিভিন্ন সময় বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্যরা অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল ও অসংসদীয় ভাষা ব্যবহার করেছে, যেভাবে সংসদের মাইক, খাতাপত্র, বইপত্র ছুঁড়েছে, এতেও সংসদের মানমর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে। সবচেয়ে দুঃখজনক হলো ২০০৭ সালে এই সংসদের স্পিকারের বাসভবন, চিফ হুইপের বাসভবনকে কারাগারে রূপান্তর করা হয়েছে এবং এই সংসদে জননেত্রী শে হাসিনা যিনি প্রধানমন্ত্রী, সংসদ নেতা, বিরোধী দলীয় নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তাঁর বিচারের জন্য এখানে আদালত বসানো হয়েছে। একই সাথে বেগম খালেদা জিয়া যিনি প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতার দায়িত্ব পালন করেছেন, তার বিচারের জন্যও এখানে আদালত বসানো হয়েছে। এভাবে এই সংসদ চত্ত্বরকে, সংসদকে কলঙ্কিত করা হয়েছিল। এটি স্পষ্টত সংসদকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য, সংসদীয় গণতন্ত্রের প্রতি বৃদ্ধাঙ্গলী প্রদর্শন করার জন্য, গণতন্ত্রকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ২০০৭ সালে ঢাকা শহরে এতো জায়গা থাকা সত্বেও এখানে আদালত বসানো হয়েছিল এবং এখানে কারাগার বানানো হয়েছিল। সেই কাজটি যারা করেছিলেন, তারা দায়িত্ব এড়াতে পারে না। সংসদের ৫০ বছর পূর্তিতে বলতে চাই- যারা এই কাজটি করেছিলেন, তাদের বিচারের আওতায় আনা প্রয়োজন কিনা, সেটি ভেবে দেখা প্রয়োজন।

 

ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্র এবং উন্নয়ন অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। গণতন্ত্রের পথচলা যদি মশৃণ না হয়, উন্নয়ন কখনো হয় না। গণতন্ত্রের নামে কসমেটিক সার্জারি হয়। যখন সংসদীয় গণতন্ত্র ছিল না, মার্শাল ডেমোক্রেসী ছিল, কখন কসমেটিক সার্জারির মতো উন্নয়ন হয়েছিল। প্রকৃত উন্নয়ন তখন হয়নি। গত তিনটি সংসদে নিরবিচ্ছন্নভাবে সংসদীয় গণতন্ত্র চালু থাকার প্রেক্ষিতে, সংসদে জবাবদিহিতা থাকার প্রেক্ষিতে দেশে উন্নয়ন অগ্রগতি হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নতির চরম শিখরে উন্নীত হয়েছে। বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতির প্রশংসা করা হচ্ছে।

 

তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে নির্বাচনের পর যখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা ছিল, তখন বঙ্গবন্ধু কন্যা আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদীয় গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য দাবি উপস্থাপন করেছিলেন। সেই দাবি নিয়ে অনেক তালবাহানা হয়েছিল, বিএনপি এবং তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা বেগম খালেদা জিয়া এতে রাজি ছিরৈন না। অনেক তালবাহানার পর শেখ হাসিনার সহযোগিতার মাধ্যমে তৎকালীন বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের ভোট দানের মাধ্যমে আসরা আবার সংসদীয় গণতন্ত্রে ফিরে এসেছিলাম।


এই বিভাগের আরো খবর