সাতক্ষীরার শ্যামনগরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের হস্তক্ষেপের পর সড়কের মধ্যভাগ হতে বিদ্যুতের খুঁটি অপসারণ করা হয়েছে। ইউএনও’র নির্দেশনার পর স্থানীয় সরকার বিভাগ ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সোমবার উপজেলার পোড়াকাটলা-নীলডুমুর সংযোগ মধ্যভাগ থেকে উক্ত খুঁটি অপসারণ করে। এর আগে মধ্যভাগে বিদ্যুতের খুঁটি রেখে নির্মানাধীন সড়কের কাজ এগিয়ে নেয়ার ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাধারণ মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখতে পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক সড়কের মধ্যভাগ থেকে বিদ্যুতের খুঁটি অপসারনের উদ্যোগ নেন।
উপজেলার নীলডুমুর খেয়াঘাট থেকে পোড়াকাটলা পর্যন্ত বিস্তৃত উক্ত সড়ক ধরে প্রতিদিন হাজারও মানুষের পাশাপাশি শত শত ছোট যানবাহন চলাচল করে থাকে। মধ্যভাগ থেকে খুঁটি সরে যাওয়ায় যানবাহন ও মানুষ চলাচলের পথ বিস্তৃত হওয়ায় স্থানীয়রা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে এধরনের আরও জনহিতকর কাজে অংশ নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে।
জানা যায় দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত নীলডুমুর-পোড়াকাটলা সংযোগ সড়কে সম্প্রতি কার্পেটিং এর কাজ শুরু হয়। তবে বিদ্যুতের একটি পোল রাস্তার মাঝ বরাবর থেকে যাওয়ায় রাস্তা কার্পেটিং হলেও তার ব্যবহার নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। এসময় ফান্ড না থাকার কারনে এলজিইডি কতৃপক্ষ উক্ত খুঁটি অপসারণের বিষয়টি উপেক্ষা করে। একইভাবে স্থানীয়দের কোন অভিযোগ না থাকার পাশাপাশি বাজেটগত সমস্যার দরুন পল্লী বিদ্যুত বিভাগও বিষয়টি এড়িয়ে যায়। পরবর্তীতে সাধারণ মানুষের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার রাস্তার সর্বোচ্চ ভাল ব্যবহার নিশ্চিত করতে দুই পক্ষকে নিয়ে বিদ্যুত এর উক্ত খুঁটি অপসারণের উদ্যোগ নেয়।
পোড়াকাটলা গ্রামের নীলকান্ত রপ্তান জানান সড়ক নির্মানের দায়িত্বে থাকা এলজিইডি ও পল্লী বিদ্যুত বিভাগ বিষটি এড়িয়ে গিয়েছিল। তবে নির্বহী অফিসারের ত্বরিৎ হস্তক্ষেপে এখন রাস্তা সম্পুর্ন চলাচলের উপযোগী হবে।
নীলডুমুর গ্রামের আব্দুল খালেকের ভাষ্য রাস্তার মধ্যে খুঁটি থাকায় তার কার্পেটিং নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের পদক্ষেপে এখন এলাকার মানুষ উক্ত রাস্তা দিয়ে যানবাহন চলাচলেরও সুযোগ পাবে। এছাড়া রাস্তার মধ্যভাগ থেকে খু৭টি অপসারিত হওয়ায় দুর্ঘটনার শংকা কমলো বলেও দাবি তার।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামসুজ্জাহান কনক জানান তিনি বিষয়টি জানতে পেরে পল্লী বিদ্যুৎ এবং এলজিইডি কতৃপক্ষকে বিষয়টি নিরসনে যাবতীয় কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য বলেছিলোম। তবে চিঠি তৈরী এবং সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে পৌছানোর ক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল।#