পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে বনদস্যু জনাব ও ডন বাহিনী দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আতঙ্কে বনজীবিরা কৈখালী, রমজাননগর, মুন্সিগঞ্জ ঘুরে বেশ কিছু বনজীবি রফিকুল, সাইফুল, আলিম হোসেন বলেন কিছুদিন ডন বাহিনীর আতঙ্কে আমরা সুন্দরবনে মাছ, কাকড়া আহরণ করতে যেতে পারিনি। পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই দুশ্চিন্তায় আছি, সুন্দরবন ছাড়া বিকল্প কোন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা আমাদের এলাকায় নেই, যে কারনে আমাদের সুন্দরবনের উপরে নির্ভরশীল হতে হয়।যদি আমাদের উপকূলীয় এলাকায় কল কারখানা ফ্যাক্টরি থাকতো তাহলে আমরা বনজীবিরা সুন্দরবনের মাছ, কাকড়া আহরণ বাদ দিয়ে কল কারখানা ফ্যাক্টারি থাকলে সেখানে দিনমজুর দিয়ে সংসার চালাতে পারতাম। টেংরাখালীর বনজীবি হোসেন বলেন শনিবার ১৪ ফেব্রুয়ারী সকালে সরকারি রাজস্ব দিয়ে কৈখালী স্টেশন থেকে সাদা মাছের পাশ নিয়ে সুন্দরবনে যাওয়ার উদ্দেশ্য বের হয়ে গোলাখালীর কাঁচাকাচি গিলে হঠাৎ আমার বাড়ি থেকে ফোন দিয়ে বলছে জনাব বাহিনী কচুখালী, দারগাং এর মুখ থেকে আমাদের বাড়ির পাশের লোক জিম্মি করেছে।বনে যাওয়ার দরকার নেই বাড়ি ফিরে এসো। সহিদ বলেন আগে আতঙ্কে ছিলাম আলিম ও ডন বাহিনীর আবার আসলো জনাব বাহিনী তাহলে আমরা গরিব মানুষ এখন কি করবো ছেলে মেয়ে লেখাপড়া খরচ চালানো তো দূরের কথা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে বেঁচে থাকা অনেক কষ্টকার হয়ে পড়েছে । তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার অসহায় বনজীবি সহ সচেতন মহল বলেন প্রশাসনের কোন তৎপরতা না থাকায় বনদস্যুরা বেপরোয়া ভাবে সুন্দরবনে চলাফেলা করছে।এবিষয়ে কৈখালী ফরেস্ট স্টেশনে ভারপ্রাপ্ত স্টেশন কর্মকর্তা মনজুরুল কবির বলেন জেলে বাওয়ালী বনদস্যুর হাতে জিম্মি হয়েছে এমন খবর এখনো পর্যন্ত আমাদেরকে কেউ জানাইনি। এবিষয়ে রায়নগর নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এর ব্যবহৃত ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।